সেটা ঘটে একবারই, স্থায়ী হয় দুই সেকেন্ড — আর থেকে যায় অন্য কারও ফোনে। Waydrop পুরো দলের ছবি আর ভিডিও জড়ো করে এক শেয়ার করা অ্যালবামে, সরাসরি ফোন থেকে ফোনে, ইন্টারনেট না থাকলেও। যা-ই ঘটুক, যে-ই মুহূর্তটা ধরুক — পেয়ে যায় সবাই।
একটি ভ্রমণ তৈরি করে একটি QR কোড দেখান। বাকিরা সেটি স্ক্যান করে যুক্ত হয় — অফলাইন, শুধু ক্যামেরা দিয়ে। কোনো অ্যাকাউন্ট নয়, ফোন নম্বরও নয়।
Waydrop ভ্রমণের সময় তোলা আপনার ছবি আর ভিডিও খুঁজে বের করে দেখায়। ব্যক্তিগত কিছু থাকলে টিক তুলে দিন — আপনি যা বেছে নেননি, তা আপনার ফোন থেকে কোথাও যায় না।
ফোনগুলো কাছাকাছি এলেই সরাসরি সিঙ্ক হয়, এক ডিভাইস থেকে আরেকটায়। অ্যালবাম ভরে ওঠে চোখের সামনেই — আগে প্রিভিউ, তারপর আপনি যেগুলো চান সেই ফুল-কোয়ালিটি অরিজিনাল।
প্রত্যেকে পুরো দলের অ্যালবাম নিয়ে ফেরে — সেই মুহূর্তগুলোও, যা সে নিজে কখনো তুলতেই পারত না। যেগুলো ভালো লাগে, সেগুলো আপনার Photos-এ সেভ করুন।
সবাই আপলোড করে কারও না কারও সার্ভারে: অ্যাকাউন্ট, কোটা, কমপ্রেশন — আর আপনার ছবি থাকে এমন হার্ডওয়্যারে, যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই।
ফোনগুলো সরাসরি একে অপরের সঙ্গে সিঙ্ক হয়। ছবি ও ভিডিও শুধু গ্রুপের ডিভাইসগুলোর মধ্যেই যায় — Waydrop কখনও সেগুলো গ্রহণ করে না, সংরক্ষণও করে না।
কোনো ফিড নেই, পাবলিক নেই, দর্শক নেই। শুধু তারাই, যারা সেখানে ছিল।
সদস্যপদই এখানে চাবি: প্রতিটি ট্রান্সফার এনক্রিপ্ট হয় ট্রিপের চাবি দিয়ে, যা থাকে শুধু সদস্যদের ফোনে। আপনার ছবি দেখা আমাদের পক্ষে প্রযুক্তিগতভাবেই অসম্ভব।
পাহাড়, রোড ট্রিপ, নেটওয়ার্কের বাইরের উইকএন্ড। সন্ধ্যার আড্ডাটাই সিঙ্কের মুহূর্ত — আপনারা সেখানে থাকতে থাকতেই অ্যালবাম ভরে ওঠে।
১৫–৪০ জন মানুষ, যাদের পরিচয় মোটে এক সপ্তাহের — তারা ক্লাউড আর ফোন নম্বর বিনিময় করবে না। প্রথম ডিনারে একটা QR কোড — আর সবাই বাড়ি ফেরে সব ছবি নিয়ে।
ট্যুর চালান? দেখুন Waydrop কী যোগ করে →তিন প্রজন্ম, এক অ্যালবাম। দাদি-নানির জন্য কোনো অ্যাকাউন্ট নেই, বোঝার কিছু নেই — ছবিগুলো এমনিই হাজির হয় প্রত্যেক ফোনে।
কাউকে শেয়ারড ড্রাইভ খুলতে হয় না, গ্রুপকে তাগাদা দিতে হয় না, কিছুই সামলাতে হয় না। অ্যালবাম নিজে নিজেই তৈরি হয়ে যায়।
হ্যাঁ — এটাই তো আসল কথা। ফোনগুলো লোকাল Wi-Fi আর Bluetooth দিয়ে সরাসরি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাই একদম সিগন্যাল না থাকলেও শেয়ার্ড অ্যালবাম ভরতে থাকে। মোবাইল নেটওয়ার্ক, রাউটার বা ইন্টারনেট — কিছুই লাগে না।
হ্যাঁ। শেয়ার করা অফলাইন অ্যালবাম পুরো দলের জন্যই ফ্রি — কোনো সাবস্ক্রিপশন নেই, বিজ্ঞাপন নেই, অ্যাকাউন্টও নেই।
না। একজন ট্রিপ তৈরি করে QR কোড দেখায়; বাকিরা ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করলেই যুক্ত হয়ে যায়। Apple দিয়ে সাইন-ইন ঐচ্ছিক, শুধু আপনার ছবিতে আপনার নাম বসানোর জন্য।
AirDrop ফাইল পাঠায় একমুখে, একবারে একজনকে। iCloud শেয়ার্ড অ্যালবামে লাগে ইন্টারনেট, Apple অ্যাকাউন্ট, আর বড়জোর ছয়জনের পরিবার। Waydrop পুরো দলের ছবি-ভিডিও নিজে থেকেই মিলিয়ে দেয় এক শেয়ার করা অ্যালবামে — অফলাইনে, অ্যাকাউন্ট ছাড়া, যেকোনো দলের জন্য। পুরো তুলনা →
পরের ট্রিপের আগেই Waydrop যোগ করে নিন — পুরো দল যুক্ত হয় এক মিনিটে। যেখানেই যান, সবার স্মৃতি ঠিক পৌঁছে যায় সবার কাছে।